সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারেও নিয়মিত অফিস করে নিজের লোকদের পছন্দমতো চাকরি বিলি করেছেন।
আর এখন যারা এসব অনিয়ম দেখেও চুপ করে আছেন —
রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার শিবিরের ছাত্র নেতা/সাথী হিসেবে পরিচিত আম্মার একসময় শিক্ষকদের দাড়ি ধরে টেনে, ক্যাম্পাসে দৌড়ানি দিয়ে, “ফ্যাসিস্টের সহযোগী” বলে রিজাইন করতে বাধ্য করতেন। আজ সেই একই আম্মার নিজেদের লোকের এই ব্যাপক অবৈধ নিয়োগ, নেপোটিজম আর দুর্নীতি দেখেও কোনো প্রতিবাদ করছেন না। কারণ তাদের কাছে অপরাধ শুধুমাত্র তাদের সংগঠনের বাইরের মানুষের করা কাজ। নিজেরা করলে সেটা “ইসলামী ন্যায়বিচার” হয়ে যায়।
সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা বছরের পর বছর কষ্ট করে পড়াশোনা করে, মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে চাকরির স্বপ্ন দেখে। আর এই “সৎ” লোকেরা ক্ষমতায় এসেই পুরো প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের পরিবার ও সংগঠনের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেন। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা জামায়াত-শিবিরের চরিত্রের একটা ছোট্ট নমুনা।
জামায়াত ইসলামী যদি কখনো পূর্ণ ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর কেমন হবে — এই ছবিটা দেখলেই বোঝা যায়।
এখন এই বিষয়ে চুপ
বিচার চাইলে । স্বচ্ছ তদন্ত চাইলে। অবৈধ নিয়োগগুলো বাতিল চাইলে জামায়াত শিবির নিরপেক্ষ সাধারণ মানুষের ভেক ধরে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দিবে।
স্বদেশ সময়