ঢাকা, আগারগাঁও: বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “বৈশাখের আনন্দ উৎসব” আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁও সরকারি নিউ কলোনী মাঠে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনটি ছিল বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানবিকতার এক অনন্য মিলনমেলা।
স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই উৎসবে ছিল নানা রঙের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সৃজনশীল আয়োজন, অনুরাগ থিয়েটারের নাটক,রবিন্দ্র নাথের নাটকঃ দুই বিঘা জমি, গান পরিবেশন করেন সৈয়দ নাজেল হোসেন।
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে মাইম আর্ট দলের পরিবেশনায় মূকাভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) চেয়ারপার্সন মনসুর আহমেদ চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী বিপুল, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঝলক ফাউন্ডেশন ও সম্পাদক, দৈনিক বিপ্লবী বার্তা; বাদল চৌধুরী, সভাপতি, বাংলাদেশ নিউজ এডিটরস গিল্ড;
আরো উপস্থিত ছিলেন জহুরু্ল আলম জাবেদ, ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক আপনার স্বাস্থ্য, উদেষ্টা স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা, মোঃ আনোয়ার হোসেন, সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদেষ্টা স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা সাহাদাত হোসেন, শিক্ষক (বিসিএস-শিক্ষা), ঢাকা পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট; আনোয়ার হোসেন শিবলু, প্রতিষ্ঠাতা, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন; শেখ নজরুল ইসলাম, মহাসচিব, বন্ধন ও উপস্থাপক, বাংলাদেশ বেতার; আমজাদ সুমন, নাট্য অভিনেতা ও পরিচালক; গোলাম রহমান, চেয়ারম্যান, SEA ফাউন্ডেশন; সামরিন রহমান, পরিচালক, ঝলক ফাউন্ডেশন; সিরাজুল ইসলাম সাগর, পরিচালক, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা।শিক্ষক পপি আক্তার, সোহাগী আক্তার ও রাশিদা আক্তার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ আকবর হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান—স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা, স্বদেশমৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন ও নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তাদের মধ্যে সংস্কৃতি চর্চার আগ্রহ সৃষ্টি করে। পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ ও মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল নববর্ষের আনন্দ, উচ্ছ্বাস এবং বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির ছোঁয়া। অংশগ্রহণকারী শিশুদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা এবং দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও স্মরণীয়।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
নববর্ষের এই আয়োজন নতুন বছরকে বরণ করার পাশাপাশি সমাজে সংস্কৃতি, মানবিকতা ও ইতিবাচক চেতনা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বদেশ সময়